ট্রেনে গাদাগাদি, তিল ধারণের ঠাঁই নেই - BNews Bulleting

বাংলাদেশ, ১২ই শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, মঙ্গলবার, ২৭ জুলাই ২০২১

ট্রেনে গাদাগাদি, তিল ধারণের ঠাঁই নেই - BNews Bulleting

ট্রেনে গাদাগাদি, তিল ধারণের ঠাঁই নেই

প্রকাশ: ২০ জুলাই, ২০২১ ৭:৩৩ : অপরাহ্ণ

অনলাইন ডেস্ক : পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে নাড়ির টানে রাজধানী ছাড়ছেন অর্ধকোটির বেশি মানুষ। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) পর্যালোচনা বলছে, সোমবার (১৯ জুলাই) পর্যন্ত লকডাউন শৈথিল্যের প্রথম পাঁচদিনে রাজধানী ছেড়েছে অর্ধকোটি মানুষ। এ ধারাবাহিকতায় আজও ১০-১৫ লাখ মানুষের ঢাকা ছাড়ার সম্ভাবনা। এতে বাস ও লঞ্চের মতো ট্রেনেও ঘরমুখী মানুষের উপচে পড়া ভীড়। যাত্রীদের চাপে তিল ধারণের ঠাঁই নেই ট্রেনে। ঈদে এভাবেই নাড়ির টানে স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা করে বাড়ি যাচ্ছে মানুষ।

মঙ্গলবার (২০ জুলাই) ঈদের আগের দিন বিকেলে শেষ সময়ে ঢাকার কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে প্রতিটি ট্রেনেই এমন চিত্র দেখা যাচ্ছে সারাদিন। সরেজমিনে দেখা গেছে, প্লাটফর্মে ভিড়, ট্রেনে গাদাগাদি করে উঠছেন যাত্রীরা। নারী-পুরুষ ও শিশুসহ বগির ভেতর নেই তিল ধারণের ঠাঁই। স্টেশনের প্রবেশপথে স্বাস্থ্যবিধি বজায় থাকলেও ট্রেনের কামরায় তার কোনো বালাই নেই। যাত্রীতে গাদাগাদি অবস্থা। প্লাটফর্মে ট্রেন আসার পর যাত্রীদের স্বাস্থ্যবিধি একেবারেই উধাও হয়ে যাচ্ছে। হুড়োহুড়ি করে যাত্রীরা ট্রেনে উঠছেন। প্রিয়জনের সঙ্গে ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের তোয়াক্কা না করেই বাড়ি ফিরছেন তারা।

গাদাগাদি করে ট্রেনে ওঠা যাত্রীরা গণমাধ্যমকে জানান, আমরা সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী টিকিট কেটে এসেছি। কিন্তু এখানে যে অবস্থা, টিকিট কেটেও বসার সিট তো দূরের কথা, দাঁড়ানোরই জায়গা নেই। ঈদে বাড়ি যেতে হবে তাই কিছু করার নেই এভাবেই যেতে হবে।

কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনের ব্যবস্থাপক মো. মাসুদ সারোয়ার গণমাধ্যমকে জানান, আমরা স্বাস্থ্যবিধি মেনে ট্রেন পরিচালনা করছি। ঈদযাত্রার শেষ মুহূর্তে ভিড় বেশি হবে, এটাই স্বাভাবিক। আমরা পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য দিনরাত পরিশ্রম করছি। কিন্তু অনেক যাত্রী টিকিট ছাড়াই ছাদে চেপে ভ্রমণ করছেন বলে অভিযোগ পেয়েছি।

উল্লেখ্য, লকডাউন শিথিলের প্রথম দিন বৃহস্পতিবার (১৫ জুলাই) থেকে পরের ছয়দিনে অর্ধকোটির বেশি মানুষ ঢাকা ছাড়লেও, তাদের ফিরতে হবে মাত্র একদিনের মধ্যে। কেননা, শুক্রবার (২৩ জুলাই) সকাল ৬টা থেকে আগামী ৫ আগস্ট পর্যন্ত আবারও কঠোর লকডাউন চলবে সারা দেশে।

পরিবহন-সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, ঈদে ঘরমুখো মানুষকে কর্মস্থলে ফিরতে মাত্র একদিন সময় দেয়ার বিষয়টি কোনোভাবেই যৌক্তিক হয়নি। ঘরমুখো মানুষ ঢাকা ফেরার জন্য একদিনে সবাই একযোগে রওনা দিলে ভয়াবহ জনদুর্ভোগের পাশাপাশি কভিডের সংক্রমণ আরো বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

সূত্র : বাংলাদেশ প্রতিদিন

সকল নিউজ